অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন


মোঃ ইনামুল হাসান মাসুম: সমাজের অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল সততা ও আস্থার প্রতীক গরীব এবং সুবিধা বঞ্চিত মানুষের আশা আকাঙ্খার প্রিয় মুখ, ফরিদপুর সদর উপজেলার আওতাধীন ৯নং কানাইপুর ইউনিয়নের জনপ্রিয় সফল চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন। একজন মানুষ কতটা উদার মানবিক ও মহত হতে পারে এটি তাঁর মানবসেবা দেখলে বোজা যায়।

প্রচার বিমুখ কানাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন পথ শিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আওতায় আনতে দরিদ্রদের বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে স্ব-নির্ভর করে তুলতে ও সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে নবিনদের উদ্যোমি করে তুলতে উন্নত সমাজ গঠনের পাশাপাশি গঠনমূলক শিক্ষিত ও উন্নত জাতি গঠন করার লক্ষে কানাইপুরের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান সাহেব এর প্রতিষ্ঠিত সাজিদ-সোবহান ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন নামে সংগঠন গড়ে তুলেন এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি রাত দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে মানব সেবা করে যাচ্ছেন।

শুধু এই সংগঠন কিংবা নিজ এলাকার মানুষের পাশেই নয় দেশের যে কোনো প্রান্তের বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাড়ান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন এবং বাড়িয়ে দেন সাহায্য সহযোগিতার হাত। নিরহংকারী এই মানুষটি সর্বদা হাসি মুখে কথা বলেন হতদরিদ্র দিনমজুর মানুষদের সাথে মমতার হাত বুলিয়ে দেন পথ শিশুদের মাথায় প্রতিদিনই তার কাছে যাওয়া মানুষদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনে সহযোগিতা ও সমাধানও করেন তিনি।

পবিত্র কুরবানীর ঈদ ও শোকের মাস জুড়েই বিভিন্ন সময়ে দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করেন চাল, ডাল, সেমাই, চিনি সহ উন্নত খাদ্য সামগ্রী এবং নতুন জামা কাপড় এ ছাড়াও বন্যার্ত এলাকা, মসজিদ, এতিমখানা, স্কুল, মাদ্রাসায় সাধ্যমতো সহযোগিতা করে যাচ্ছেন ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন। আর তাই তো সাধারণ সুবিধাবঞ্চিত বিপদগ্রস্ত অসহায় মানুষদের দোয়া ও চাওয়া আওয়ামী পরিবারের সন্তান, অসাম্প্রদায়িক চেতনার বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর, নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু, নারী, শিশু ও যুব সমাজ উন্নোয়নের অগ্রদূত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন এভাবেই পাশে থেকে তাদের আগলে রাখুক মাতৃত্বের ছায়ায়।

মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন, যে একজন মানুষকে বাঁচিয়ে দিল সে যেন সারা পৃথিবীর মানুষকে বাঁচিয়ে দিল। একটা মানুষকে বাঁচিয়ে দেয়া মানে একটা মানুষকে বেঁচে থাকার জন্য সাহায্য সহযোগিতা করা।

ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, অসহায় হতদরিদ্র মানুষ ও প্রতিবন্ধীদের মুখে হাসি ফোটাতে আমার আর্থিক সহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করে থাকি। আসুন আমরা মিলেমিশে তাদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করি। তাদের মুখের হাসি অনেক মূল্যবান অনেক দামি। তাদের মুখে আসুন একটু হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি।

তিনি আরো বলেন, একজন মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করলে সারা পৃথিবীর মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করার মত সন্তুষ্ট হন মহান আল্লাহতালা। তাই আসুন মহান আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে প্রতিবন্ধীদের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং আল্লাহ তায়ালা তৌফিক দিলে আমৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সেবা করতে চাই।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *