কানাইপুরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন এর শ্রদ্ধা নিবেদন


মোঃ ইনামুল হাসান মাসুম:
৭ই মার্চ দিনটি উদযাপনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা গৌরবের এক অনন্য দিন আজ। ৫০ বছর আগের এ দিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণে গর্জে উঠেছিল উত্তাল জনসমুদ্র।

৯নং কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

রোববার সকাল ১১টায় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন।

এসময় চেয়ারম্যান এর সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন এর শ্রদ্ধা জানানোর পর ইউপি সদস্য বৃন্দ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এদিকে, দেশ ব্যাপী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন ৭ মার্চ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দিনটি উদযাপনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সেই সুবাদে ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এবং ৯নং কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এর আয়োজন করেছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল। এই জন্যই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চ উপলক্ষে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে ধর্মীয়ভাবে দোয়া ও মোনাজাত করে বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়েছে এবং সামাজিক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, ইতিহাস রচনার দিন আজ। এছাড়া বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা গৌরবের এক অনন্য দিন আজ। ৫০ বছর আগের এ দিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণে গর্জে উঠেছিল উত্তাল জনসমুদ্র।

তিনি আরো বলেন, লাখ লাখ মানুষের গগনবিদারী স্লোগানের উদ্দামতায় বসন্তের মাতাল হাওয়ায় সেদিন পত পত করে উড়ে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত লাল-সবুজের পতাকা।

বঙ্গবন্ধু কেবল একজন ব্যক্তি নন, এক মহান আদর্শের নাম। যে আদর্শে উজ্জীবিত হয়েছিল গোটা দেশ। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র আর ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনে দেশের সংবিধানও প্রণয়ন করেছিলেন স্বাধীনতার স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। শোষক আর শোষিতে বিভক্ত সেদিনের বিশ্ববাস্তবতায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন শোষিতের পক্ষেপাকিস্তানি শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৪ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার যে ডাক দিয়েছিলেন তা অবিস্মরণীয়।

সেদিন তাঁর বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম/এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ এই অমর আহ্বানেই স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিপীড়িত কোটি বাঙালি। সেই মন্ত্রপূত ঘোষণায় বাঙালি হয়ে উঠেছিল লড়াকু এক বীরের জাতি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *