কানাইপুরে সন্ত্রাস দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে চেয়ারম্যানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত


স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুর সদর উপজেলার আওতাধীন ৯নং কানাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার মাধ্যমে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন করে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

১০ মার্চ বুধবার বিকেল ৫ টার দিকে রনকাইলের পাকুরপাড়া বাজারে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গিকার নিয়ে এ উঠান বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন।

এ সময় রনকাইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, ফজলুল হক মোল্লা, ইলিয়াস হোসেন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বক্তারা বর্তমানে ইউনিয়ন জুড়ে সন্ত্রাসী খাঁজা বাহিনীর অত্যাচার নির্যাতন তুলে ধরে বলেন, অতিদ্রুত খাঁজা বাহিনীর অত্যাচার নির্যাতন থেকে এই ইউনিয়ন বাসীকে মুক্ত করতে হবে। এছাড়া গ্রামের কিছু উন্নয়নমূলক কাজ প্রয়োজন সেগুলো চেয়ারম্যানের সামনে তুলে ধরেন এলাকাবাসী।

চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছে বা চালাবে তাদের কাউকেই ছাড় দিবেনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইউনিয়নে যাতে কোন প্রকার সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি না হয় সেদিকে আমরা ইউনিয়ন পরিষদ সর্বদা সচেতন রয়েছি। আর যে সকল জায়গায় উন্নয়ন করা জরুরী আমরা সকলে মিলেমিশে এই উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করবো, ইনশাআল্লাহ্।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা করে কানাইপুর ইউনিয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’

চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইউনিয়নের মানুষ শান্তিতে থাকুক, নিরাপদে থাকুক, উন্নত জীবন পাক–সেই লক্ষ্যই আমরা বাস্তবায়ন করছি।’ দেশের অনেক উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত হয়ে প্রশাসনের সদস্যরা ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেক উন্নয়নের কাজ তাদের দিয়ে আমরা করাতে পারছি এবং তারা নিরলসভাবে করে যাচ্ছে।

এভাবে দেশের একদিকে যেমন স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অনেক অবদান রেখে যাচ্ছেন আমাদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাগন। তিনি প্রশাসনের সব সদস্যকে এজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানান।

চেয়ারম্যান বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে ‘আমরা মুজিববর্ষ উদযাপন করছি, সেই অনুষ্ঠান চলাকালে আরও দেড় থেকে দু’ভাগ এবং পরে আরও অন্তত তিনভাগ দারিদ্র্য যদি কমিয়ে আনতে পারি তাহলেই ইউনিয়নকে আমরা দারিদ্র্যমুক্ত করতে পারব।’

তিনি আরো বলেন, সমাজের কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে এবং উন্নয়নের সুফলটা যেন একদম গ্রামের তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিত করাই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য। এছাড়া বাঙালি জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে চলছে বলেই আওয়ামী লীগ সরকার দেশের এত উন্নয়ন করতে পারছে। প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৫ ভাগে উন্নীত করতে পেরেছে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক উন্নত দেশও যখন প্রবৃদ্ধি অর্জনে পিছিয়ে পড়ছে, তখনো এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের বাংলাদেশ।’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *