ফরিদপুরে বিল খনন কাজের উদ্বোধন করলেন ডিসি অতুল সরকার


জিল্লুর রহমান রাসেল, ফরিদপুর:

নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ এই শ্লোগান নিয়ে ২০২০-২১ আর্থিক সালে মৎস্য অধিদপ্তরাধীন “জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি” (২য় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চাপাই হরাই রঘুয়ার বিল (অংশ-০১) পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। ফরিদপুর জেলা মৎস অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের রনকাইল গ্রামের এই বিলের পুনঃখনন কাজ ২০ মার্চ শনিবার দুপুরে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার উদ্বোধন করেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম, কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন, জেলা জাকের পার্টির সভাপতি মশিউর রহমান জাদু প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী। এ সময় উপকারভোগী মৎসচাষী সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, শুকনো মৌসুমে এই বিলে পানি না থাকায় মাছ চাষ কাজ ব্যহত হয়। মাঝি সহ কৃষকের যাতে নির্বিঘ্নে এখানে কাজ করতে পারেন সে লক্ষেই রনকাইল গ্রামের এই বিলটি পুনঃখনন করতে সরকার সকল বন্দোবস্ত করার দাবি প্রস্তাবনা পেশ করি। আমরা সৌভাগ্যবান যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে আজকে মান্যবর জেলা প্রশাসক মহোদয় শুভ উদ্বোধন করবেন।

তিনি আরো জানান, যারা উপকারভোগী রয়েছেন তারা মিলেমিশে এখানে কাজ করবেন। আর নদীর সাথে যে খালটির সংযোগ রয়েছে সেখানে স্লুইচগেট করলে বিলের পানি বৃদ্ধি হবে এবং মাঝি সহ কৃষকদের বিশেষ উপকার হবে বলেই মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সু-দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, শুকনো মৌসুমে এই বিলে পানি না থাকায় মাছ চাষ কাজ ব্যহত হয়। আপনারা যাতে নির্বিঘ্নে এখানে কাজ করতে পারেন সে লক্ষেই এই বিলটি পুনঃখনন করতে সরকার সকল বন্দোবস্ত করে দিয়েছে। যারা উপকারভোগী রয়েছেন তারা মিলেমিশে এখানে কাজ করবেন। খনন কাজে কেউ বাঁধা দিলে আমাকে জানাবেন, যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর নদীর সাথে যে খালটির সংযোগ রয়েছে সেখানে স্লুইচগেট করলে যদি উপকার হয় তাহলে তা করতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

যদি কারো ব্যক্তি মালিকানা জলাশয় থাকে তাহলে সে জমির মালিকের সাথে সমন্বয় করে মাছ চাষ করা যেতে পারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ একটু জমিও পতিত থাকবে না। যেখানে যে ফসল হবে সেখানে সে ফসলই উৎপাদন করতে হবে। মাছ এমন একটি ফসল যা বিদেশে রপ্তানি করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করা যায়। সরকারে দূরদর্শীতায় এখন আমরা মাছেও পরিপূর্ণ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *