ফরিদপুরে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ-থানায় জিডি


ষ্টাফ রিপোর্টার:

ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার খোদাবাসপুর গ্রামের মানিক শরিফের ছেলে জুয়েল শরিফ ও সাংবাদিক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন। মধুখালী উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন সমাজ কর্মী খন্দকার শহিদুল ইসলাম।

দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় নামধারী সাংবাদিকদের কারনে দেখা দিয়েছে, নানা ধরনের সমস্যা, আর এতে করে বেড়েই চলছে চাঁদাবাজি। এতে প্রকৃত সাংবাদিকরা পড়েছে বিপাকে।

সম্প্রতি সময়ে মধুখালী উপজেলার নিখরিয়া গ্রামের মৃত্য মহিম শেখের স্ত্রী ছালেহা বেগম (বিধবা ভাতাভোগী) কে ভুল বুঝিয়ে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সমাজসেবা অফিসার কল্লোল শাহা ও খন্দকার সহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে, দৈনিক জনবানী পত্রিকায় “বিধবাকে আটকিয়ে ভয় ভিতি প্রদর্শন করেছে” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

এবিষয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তা কল্লোল শাহ বলেন, খোদাবাসপুর গ্রামের জুয়েল শরিফ, মোমেনা নেছা এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা তাহার চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে এলাকার জনগণের মাঝে ব্যাপক গন অসন্তোষ সৃষ্টি করে। উক্ত জুয়েল শরিফ এতিমখানার কার্যনির্বাহী পরিষদে অবৈধভাবে পদ দাবি করে ব্যর্থ হয়ে। তিনি আরও বলেন, এতিমখানার তহবিল থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে না পারায় এবং তার উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেই চলেছেন।

জানা যায়, মধুখালী উপজেলার বেলেশ্বর গ্রামের ওয়াহিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ ইসহাক মোল্লা জুয়েল শরীফের ফেসবুক আইডি থেকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে প্রতিবন্ধী তালিকাভুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও জোরপূর্বক প্রতিবন্ধী ভাতা দাবি করেন। তার দাবি পুরন না করায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন সমাজকর্মী ও সমাজসেবা অফিসারের বিরুদ্ধে জুয়েল শরীফের ফেসবুকে একটি ভিডিও পোষ্ট করেন যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

এবিষয়ে ইউনিয়নের সমাজ কর্মী খন্দকার শহিদুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক মিজানুর রহমান ও জুয়েল শরীফ উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ঘুরে ঘুরে কয়েকজন কর্মীর কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে বলেন, আমি টাকা পেলে সব ভিডিও ও নিউজ লেখা বন্ধ ও ডিলেট করে দিবো, এমন কি ফেসবুক থেকেও। এদুজনের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মধুখালি থানায় আমি গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জিডি করেছি (জিডি নং -৬৪০/১৫-০২-২১)।

এ বিষয়ে মধুখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে এখনো অনুসন্ধান চলছে। আপনাদেরকে জানানোর মত এখনো কোন তথ্য পাইনি। তথ্য পেলে জানাবো।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *