ফরিদপুরে হঠাৎ নদী ভাঙন-পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক


জিল্লুর রহমান রাসেল, ফরিদপুর:

ফরিদপুর হঠাৎ করে পদ্মা নদীতে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিলীন হয়ে গেছে দুইশত মিটারের বেশী এলাকা। ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে একটি ব্রীজ, মসজিদসহ বেশকিছু বাড়ীঘর।

২৭ মে বৃহস্পতিবার ভোরে হঠাৎ করে সদর উপজেলার ডিগ্রিরচর ও নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নেে পদ্মার পাড়ের কয়েকটি এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়। মুহুর্তের মধ্যে ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিলিন হয়ে যায় দুইশত মিটারের বেশী এলাকা। এর ফলে কয়েকশ মিটার ফসলী জমি নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের ফলে ঝুঁকিতে পড়েছে শহররক্ষা বাঁধ, গোলডাঙ্গি ব্রীজ, মসজিদসহ বেশকিছু ঘর বাড়ী। এর ফলে আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে নদী পাড়ের কয়েক হাজার মানুষ।

এদিকে ভাঙনের সংবাদ পেয়ে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক অতুল সরকার। এ সময় তার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসলিমা আলী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাসুম রেজা, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক মোল্লা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ।

সুলতান মাহমুদ জানান, এই ভাঙন রোধ করতে না পারলে ফসলি জমিসহ কয়েক হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়বে। যত দ্রুত সম্ভব এই ভাঙন রোধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মোঃ মাসুম রেজা জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াশের প্রভাবে পদ্মার পানির স্রোতের তীব্রতায় হঠাৎ সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের গোলডাঙ্গি এলাকায় ও নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ছোট আলী বিশ্বাসের ডাঙ্গি, বাসির মোল্লার ডাঙ্গিসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ভাঙনের কবলে পড়েছে। সংবাদ পেয়ে জেলা প্রশাসক অতুল সরকার স্যার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট সকলে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ভাঙন রোধে ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুতই এখানে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক অতুল সরকার জানান, এই ভাঙ্গনের ফলে গোলডাঙ্গি ব্রিজ, মসজিদ ও নিকটবর্তী বাড়িঘরগুলো ঝুকির মধ্যে রয়েছে। এই ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই এই সমস্যা সমাধান হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *