ফরিদপুর কানাইপুর ইউ.পি চেয়ারম্যানের মুক্তি দাবী করেছে শোভাকাঙ্খী ও তার পরিবার


বিজয় পোদ্দার, ফরিদপুর: ফরিদপুর জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, কানাইপুর ইউনিয়নের ২ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান, আলোচিত রুবেল-বরকতের মানি লন্ডারিং মামলায় কারাগারে যাওয়া ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেনের মুক্তি দাবী করেছে শোভাকাঙ্খী ও তার পরিবার।

বৃহস্পতিবার তার পরিবার ও শোভাকাঙ্খীরা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। এই ধরনের ঘটনায় কানাইপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কোন সম্পৃক্ততা নেই। দেশের প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক, যদি সে অপরাধী হয় আমরা শাস্তি মেনে নিবো।

কানাইপুর ইউ,পি চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী মোছাঃ জেসমিন আক্তার পাখি বলেন, আমার স্বামী দীর্ঘকাল ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আছে। রাজনীতি করতে গেলে পক্ষ, বিপক্ষ থাকে রুবেল-বরকতের সাথে তার ব্যবসায়ীক কিংবা ব্যক্তিগত কোনো প্রকার সক্ষ্যতা ছিল না। তারা ষড়যন্ত্র করে তার নাম বলেছে। এলাকার মানুষ যদি আমাদের ভালো না জানতো তাহলে দুই, দুইবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতো না।

তিনি আরো জানান, আমরা আইনের প্রতি সার্বক্ষণিক শ্রদ্ধাশীল। আইনগত প্রক্রিয়ায় সে জামিনে বের হয়ে আসবে। এই রাজনীতি করতে গিয়ে বহু মামলা, হামলার শিকার হয়েছে। তার চাচাকে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। তারপরও আমরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরে যাইনি।

স্থানীয় অনেক শোভাকাঙ্খী জানিয়েছেন, প্রকৃত অর্থে বেলায়েত ফকির যদি দোষী না হয় তদন্ত সাপেক্ষে তাকে অচিরেই মুক্তি দেওয়া হোক। তার অনুপস্থিতিতে আমরা নানা ধরনের সেবা বঞ্চিত হচ্ছি। উল্লেখ্য গত ১৯/০১/২০২১ইং তারিখ তিন মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিনে থাকা ইউ.পি চেয়ারম্যান বেলায়েত ফকির ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত তা না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

২০২০ সালের ২৬শে জুন কাফরুল (ডিএমপি) থানায় গোয়েন্দা পুলিশ ধারা: মানিল্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫) এর ৪ (২), মামলা নং- ২৪ রুজু করে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *